
তৎকালীন সময়ে নিশ্চিন্তপুর, শ্রীপুর, বড়খিলা, বাক্তা এবং কালাদহসহ প্রায় ৭/৮টি গ্রামের লোকজন এই মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতেন। কালের বিবর্তনে ৫০০ বছর পার হলেও প্রাচীন এই মসজিদের উন্নয়নে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুস ছামাদ সরকার জানান, মসজিদের নামে ওয়াকফকৃত ৪৮ শতাংশ জমি রয়েছে। ২২ শতাংশ জমিতে রয়েছে মসজিদ ও কবরস্থান। ২৬ শতাংশ জমিতে যে ফসল উৎপাদিত তা দিয়ে খতিব সাহেবকে বছরে ৪ মণ ধান দেয়া হয়।
তিনি বলেন, প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজে স্থান সংকুলান হয় না। তাই মসজিদটি সম্প্রসারণ করা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু অর্থাভাবে মসজিদের সংস্কার বা সম্প্রসারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমান সরকার মসজিদ ও মাদরাসাসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। সেই
ধারাবাহিকতায় এই মসজিদটির উন্নয়নে বর্তমান সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন এলাকার জনগণ।
স্থানীয় নূরুল ইসলাম বলেন, নামমাত্র বেতনে একজন খতিব থাকলেও বেতনভুক্ত কোনো মুয়াজ্জিন নেই। প্রাচীন এই মসজিদটি সংস্কার ও সম্প্রসারণে সরকারের কাছে দাবি জানান এলাকাবাসী। পাশাপাশি রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সমাজসেবক, দানশীল ব্যক্তি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তারা।