1. jonogonersongbad@gmail.com : jonogonersongbad :
শুক্রবারে কাহাফ সূরার ফজিলত - জনগণের সংবাদ ২৪ - jonogoner songbad 24        
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শুক্রবারে কাহাফ সূরার ফজিলত ক্ষমা প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দুআ ‘সাইয়িদুল ইসতিগফার’: জান্নাত পাওয়ার এক অনন্য সুযোগ এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬ শুরু হতে যাচ্ছে আগামীকাল, পরীক্ষার্থীদের দেয়া হয়েছে ১৪ নির্দেশনা তেলের নতুন দাম ঘোষণা-পেট্রোল ১৩৫, অকটেন ১৪০, ডিজেল ১১৫ বিয়ে বাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে মানুষ ১৬.৮% হামে আক্রান্ত রোগের লক্ষণ বাচার উপায় জেনে নিন। ফেরি থেকে নদীতে ডুবে যাওয়া সেই বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত যশোরে চলন্ত বাসে অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রীরা স্বাধীনতা দিবসে বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে অব্যবস্থাপনা: নিরাপত্তাহীনতায় অবমাননার অভিযোগ গণহত্যার বিচার প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

শুক্রবারে কাহাফ সূরার ফজিলত

  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

​মুসলিম উম্মাহর কাছে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমার দিনের বিশেষ আমলগুলোর মধ্যে সূরা কাহাফ তেলাওয়াত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বিভিন্ন হাদিসে এই সূরার ফজিলত ও গুরুত্ব স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।

​দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাচার উপয়

​কিয়ামতের আগে দাজ্জালের ফিতনা হবে মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। এই ফিতনা থেকে বাঁচার উপায় হিসেবে সূরা কাহাফের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

​হাদিস: আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) ইরশাদ করেছেন, “যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ৮০৯; আবু দাউদ, হাদিস নং: ৪৩২৩)

​দুই জুমার আলোকবর্তিকা

যে ব্যক্তি ​জুমার দিনে সূরা কাহাফ পাঠ করবে আল্লাহ তাআলা তার জীবনকে বিশেষ নূর দিয়ে আলোকিত করে দিবেন

​হাদিস: আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়টা নূর দ্বারা আলোকিত থাকবে।” (সুনানে বায়হাকী, হাদিস নং: ৫৯৯৬; হাকেম, হাদিস নং: ২১২৮)

​কিয়ামতের দিন বিশেষ নূর

​পরকালের কঠিন অন্ধকার সময়ে এই সূরাটি পাঠকারীর জন্য আলোর উৎস হবে।

​হাদিস: আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার পায়ের নিচ থেকে আকাশের মেঘমালা পর্যন্ত একটি নূর প্রজ্বলিত হবে, যা কিয়ামতের দিন তাকে আলো দেবে এবং দুই জুমার মধ্যবর্তী তার সমস্ত (সগীরা) গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।” (আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, হাদিস নং: ১/২৯৮)

​কখন ও কীভাবে এই আমল করবেন?

​ইসলামি ফিকহ শাস্ত্রবিদদের মতে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত (সূর্যাস্তের পর) থেকে শুরু করে শুক্রবার সূর্যাস্ত (মাগরিব) পর্যন্ত সময়কে বোঝায়। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে যেকোনো সময়ে সূরাটি পড়া যায়।

​বিশেষ আমলসমূহ:

১. সম্পূর্ণ সূরাটি তেলাওয়াত করা সর্বোত্তম।

২. সময় স্বল্পতা থাকলে বা মুখস্থ করার ক্ষেত্রে প্রথম ও শেষ ১০ আয়াতের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।

৩. অর্থ ও শিক্ষা অনুধাবন করে পাঠ করা, যা ঈমানি দৃঢ়তা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৪.দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপত্তা: সূরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত (মতান্তরে শেষ ১০ আয়াত) মুখস্থ বা পাঠ করলে দাজ্জালের ভয়াবহ ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকা যায়।

​জুমার এই বরকতময় দিনে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকতে প্রতিটি মুসলিমের এই আমলটি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2026  jonogonersongbad24.com
Designed By Barishal Host