1. jonogonersongbad@gmail.com : jonogonersongbad :
শুক্রবারে কাহাফ সূরার ফজিলত - জনগণের সংবাদ ২৪ - jonogoner songbad 24        
মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বরিশাল সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন ইউনিয়নে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের কমিটি গঠন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত; ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা কর না বাড়িয়ে ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা, ‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার বরিশালে অবৈধ মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, বার্জ-এক্সক্যাভেটরসহ ৬ জন আটক জনগণের ওপর ক্ষমতা প্রদর্শনকারীরা ব্যক্তিরা দলের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন  মাদক, সাইবার ক্রাইম ও কিশোর গ্যাং মুক্ত সমাজ গঠনে পিরোজপুরে র‍্যাব-৮-এর ‘টাউন হল মিটিং’ অনুষ্ঠিত মাড়ির যত্ন নিতে গিয়ে শরীরে ঢুকছে প্লাস্টিক? ২৪টির বেশি ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে মিলল ক্ষতিকর উপাদান! বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী হুমায়ুন কবিরকে নিয়ে অপপ্রচার ও প্রপাগান্ডা বরিশালে ‘সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি’ গঠন, সভাপতি পলাশ ও সম্পাদক শাহীন র‍্যাব-৮ এর বিশেষ অভিযানে গাড়ির গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার ​চৌমাথায় সিটি কর্পোরেশনের মোবাইল কোর্ট: অবৈধ অটোরিকশা চালকদের জরিমানা

শুক্রবারে কাহাফ সূরার ফজিলত

  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৭৯ বার পড়া হয়েছে

​মুসলিম উম্মাহর কাছে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমার দিনের বিশেষ আমলগুলোর মধ্যে সূরা কাহাফ তেলাওয়াত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বিভিন্ন হাদিসে এই সূরার ফজিলত ও গুরুত্ব স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।

​দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাচার উপয়

​কিয়ামতের আগে দাজ্জালের ফিতনা হবে মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। এই ফিতনা থেকে বাঁচার উপায় হিসেবে সূরা কাহাফের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

​হাদিস: আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) ইরশাদ করেছেন, “যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ৮০৯; আবু দাউদ, হাদিস নং: ৪৩২৩)

​দুই জুমার আলোকবর্তিকা

যে ব্যক্তি ​জুমার দিনে সূরা কাহাফ পাঠ করবে আল্লাহ তাআলা তার জীবনকে বিশেষ নূর দিয়ে আলোকিত করে দিবেন

​হাদিস: আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়টা নূর দ্বারা আলোকিত থাকবে।” (সুনানে বায়হাকী, হাদিস নং: ৫৯৯৬; হাকেম, হাদিস নং: ২১২৮)

​কিয়ামতের দিন বিশেষ নূর

​পরকালের কঠিন অন্ধকার সময়ে এই সূরাটি পাঠকারীর জন্য আলোর উৎস হবে।

​হাদিস: আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার পায়ের নিচ থেকে আকাশের মেঘমালা পর্যন্ত একটি নূর প্রজ্বলিত হবে, যা কিয়ামতের দিন তাকে আলো দেবে এবং দুই জুমার মধ্যবর্তী তার সমস্ত (সগীরা) গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।” (আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, হাদিস নং: ১/২৯৮)

​কখন ও কীভাবে এই আমল করবেন?

​ইসলামি ফিকহ শাস্ত্রবিদদের মতে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত (সূর্যাস্তের পর) থেকে শুরু করে শুক্রবার সূর্যাস্ত (মাগরিব) পর্যন্ত সময়কে বোঝায়। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে যেকোনো সময়ে সূরাটি পড়া যায়।

​বিশেষ আমলসমূহ:

১. সম্পূর্ণ সূরাটি তেলাওয়াত করা সর্বোত্তম।

২. সময় স্বল্পতা থাকলে বা মুখস্থ করার ক্ষেত্রে প্রথম ও শেষ ১০ আয়াতের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।

৩. অর্থ ও শিক্ষা অনুধাবন করে পাঠ করা, যা ঈমানি দৃঢ়তা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৪.দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপত্তা: সূরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত (মতান্তরে শেষ ১০ আয়াত) মুখস্থ বা পাঠ করলে দাজ্জালের ভয়াবহ ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকা যায়।

​জুমার এই বরকতময় দিনে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকতে প্রতিটি মুসলিমের এই আমলটি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2026  jonogonersongbad24.com
Designed By Barishal Host