1. jonogonersongbad@gmail.com : jonogonersongbad :
মসজিদে নববীর ছাতাগুলো যেন সর্বাধুনিক প্রযুক্তির চমক - জনগণের সংবাদ ২৪ - jonogoner songbad 24        
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিয়ে বাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে মানুষ ১৬.৮% হামে আক্রান্ত রোগের লক্ষণ বাচার উপায় জেনে নিন। ফেরি থেকে নদীতে ডুবে যাওয়া সেই বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত যশোরে চলন্ত বাসে অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রীরা স্বাধীনতা দিবসে বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে অব্যবস্থাপনা: নিরাপত্তাহীনতায় অবমাননার অভিযোগ গণহত্যার বিচার প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম জে.টি.আই.টি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঢাকায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল জে.টি.আই.টি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ছাত্রদল নেতা ফাহাদকে কুপিয়ে গুরুতর যখন করেছে আওয়ামী লীগ নেতা  প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশাল, ৫৪ বছর ধরে অবহেলিত,তারেক রহমানের কাছে হাজারো দাবি।

মসজিদে নববীর ছাতাগুলো যেন সর্বাধুনিক প্রযুক্তির চমক

  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৬৭ বার পড়া হয়েছে
  • মসজিদে নববীর ছাতাগুলো যেন সর্বাধুনিক প্রযুক্তির চমক

মদিনার মসজিদে নববির খোলা আঙিনায় থাকা বিশাল ছাতাগুলো শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়। ছাতাগুলো মূলত সূর্য ও গরমের তীব্রতা থেকে মুসল্লিদের রক্ষা করতে তৈরি। প্রতিটি ছাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খোলে এবং বন্ধ হয়।

তাপমাত্রা, আলো ও বাতাসের পরিস্থিতি অনুযায়ী ছাতাগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে কাজ করে। গরমের সময় ছাতার নিচে তাপমাত্রা প্রায় ১০-১৫ ডিগ্রি কমে যায়, যা মুসল্লিদের নামাজ পড়ার জন্য আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করে।

ছাতার নকশা এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে প্রাকৃতিক বাতাস প্রবাহিত হয় এবং আঙিনায় বাতাসের চলাচল স্বাভাবিক থাকে। ফলে মুসল্লিরা তাজা বাতাসে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ছাতাগুলো তৈরি হয়েছে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উচ্চ প্রযুক্তিতে। হালকা কিন্তু শক্তিশালী উপকরণ যেমন- ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও বিশেষ ক্যানভাস ব্যবহার করা হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী এবং টেকসই এই ছাতাগুলো শুধু কার্যকর নয়, মসজিদের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে।

এই ছাতাগুলোর নকশা করেছেন জার্মান স্থপতি মাহমুদ বোদো রাশ। ছাতাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে এবং প্রধানত দুটি পরিস্থিতিতে খোলা বা বন্ধ করা হয়। তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়ালেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায় ছাতাগুলো, পক্ষান্তরে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

প্রকল্পটি ২০১০ সালের আগস্টে শেষ হয় এবং প্রায় ২৫০টি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খোলা-বন্ধ হওয়া ছাতার ব্যবস্থা ইনস্টল করা হয়। ছাতাগুলোতে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা তাপমাত্রা, বাতাস ও আলো অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। এছাড়া বর্ষা বা ঝড়ের সময় পানি সরানোর ব্যবস্থা এবং শব্দ নিয়ন্ত্রণের বৈশিষ্ট্যও রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মসজিদে নববির এই ছাতাগুলো আধুনিক স্থাপত্য ও প্রযুক্তির নিদর্শন, যা ধর্মীয় স্থানের সৌন্দর্য এবং বাস্তবিক প্রয়োজনকে একত্রিত করেছে।

প্রতিটি ছাতার উচ্চতা বন্ধ অবস্থায় প্রায় ২১.৭ মিটার। ছাতার ছায়া প্রদানের অংশ খোলা অবস্থায় প্রায় ২৫.৫ মিটার। আর একটি ছাতার ওজন প্রায় ৪০ টন।

প্রত্যেকটি ছাতার ভিত্তিতে মোট ৪৩৬টি মিস্ট ফ্যান যুক্ত রয়েছে যা বাতাসে কুলিং এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। কোনো কারণে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে ২৪ ঘণ্টা ব্যাটারি ব্যাকআপে কাজ করবে। ২০২৬ সালের মধ্যে আরও ১০০টি ছাতা যোগ করা হবে।

মসজিদে নববিতে মোট ২৫০টি ছাতা রয়েছে। বিশ্বব্যাপী বেশ কয়েকটি মসজিদ-প্রাঙ্গণে অনুরূপ ছাতা বসানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2026  jonogonersongbad24.com
Designed By Barishal Host