1. jonogonersongbad@gmail.com : jonogonersongbad :
জুমার নামাজ ঘিরে ভাসমান সাপ্তাহিক বাজার রুপাতলীতে কম দামে নিত্যপণ্য, উপকৃত মুসল্লি ও এলাকাবাসী - জনগণের সংবাদ ২৪ - jonogoner songbad 24        
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিয়ে বাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে মানুষ ১৬.৮% হামে আক্রান্ত রোগের লক্ষণ বাচার উপায় জেনে নিন। ফেরি থেকে নদীতে ডুবে যাওয়া সেই বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত যশোরে চলন্ত বাসে অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রীরা স্বাধীনতা দিবসে বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে অব্যবস্থাপনা: নিরাপত্তাহীনতায় অবমাননার অভিযোগ গণহত্যার বিচার প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম জে.টি.আই.টি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঢাকায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল জে.টি.আই.টি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ছাত্রদল নেতা ফাহাদকে কুপিয়ে গুরুতর যখন করেছে আওয়ামী লীগ নেতা  প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশাল, ৫৪ বছর ধরে অবহেলিত,তারেক রহমানের কাছে হাজারো দাবি।

জুমার নামাজ ঘিরে ভাসমান সাপ্তাহিক বাজার রুপাতলীতে কম দামে নিত্যপণ্য, উপকৃত মুসল্লি ও এলাকাবাসী

  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৮৪ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবেদন: মনির হোসেন

বরিশাল নগরীর রুপাতলী হাউজিং স্টেট মসজিদের সামনে প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে বসছে একটি ব্যতিক্রমধর্মী ভাসমান বাজার। গ্রামাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী হাট-বাজারের আদলে গড়ে ওঠা এই বাজারে ভ্যানগাড়িতে করেই পণ্য বিক্রি করেন ব্যবসায়ীরা। ফলে কোনো স্থায়ী দোকান ছাড়াই স্বল্প পরিসরে দ্রুত বাজার সেরে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা।
জুমার নামাজ শেষ হতেই মসজিদের সামনে জমে ওঠে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়।টুপি, পাঞ্জাবি, কাপড়, কাঁচা সবজি, হাস-মুরগী,মাছ, ডিম, ফলমূল, মুদি সামগ্রীসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের পণ্যই এখানে পাওয়া যায়। অন্য এলাকার বাজারের তুলনায় দামও তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি।
মুসল্লি সামচুল আলম (৫২) বলেন,
“আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী। সপ্তাহের অন্য দিন অফিসের কারণে বাজার করার সময় পাই না। শুক্রবার নামাজ শেষে এখান থেকেই প্রয়োজনীয় সবজি ও মাছ কিনে নিয়ে যাই। এতে সময় ও টাকা—দুটোই বাঁচে।”
আরেক মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দা মো. নয়ন জানান,
“এই বাজারটা খুব সুবিধাজনক। নামাজ পড়ে বের হয়েই বাজার করা যায়। ছোটখাটো প্রয়োজনে আলাদা করে হাটে যেতে হয় না। দামও কম, তাই সবার জন্যই ভালো।”
একই মত প্রকাশ করেন মুসল্লি ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আলহাজ্ব মো. সুলতান আহমেদ তিনি বলেন,
“গ্রামের হাটের মতো পরিবেশ এখানে। পরিচিত লোকজনের সঙ্গে দেখা হয়, কথা হয়। ধর্মীয় পরিবেশ বজায় রেখেই বাজার হচ্ছে—এটাই সবচেয়ে ভালো দিক।”
বাজারে আসা এক ভ্যানচালিত বিক্রেতা বলেন,
“শুক্রবার এখানে ভালো বেচাকেনা হয়। মুসল্লিরা নামাজ শেষে সরাসরি বাজার করেন। আমাদেরও লাভ হয়, আবার ক্রেতারাও কম দামে পণ্য পান।”
স্থানীয়দের মতে, এই ভাসমান বাজার শুধু মুসল্লিদের নয়, আশপাশের বাসিন্দাদের জন্যও সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে। পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে পরিচালনা করা গেলে এই বাজারটি ভবিষ্যতে একটি নিয়মিত ও সুসংগঠিত সাপ্তাহিক বাজারে রূপ নিতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2026  jonogonersongbad24.com
Designed By Barishal Host